রবিবার, ১৭ জানুয়ারী, ২০২১

শিরোনাম

প্রকাশ : 2020-11-25

সাবেক ছাত্রনেতা লিমনের মুক্তির দাবিতে বাকলিয়া থানা ছাত্রলীগের মানববন্ধন।

২৪ নভেম্বর মঙ্গলবার বিকেল তিন ঘটিকায় বাকলিয়া থানার অন্তর্গত কালামিয়াবাজার মোড়ে (কে. বি. কনভেনশন হলের সামনে) উক্ত মানববন্ধন ও বিক্ষোভ মিছিল অনুষ্ঠিত হয়। চট্টগ্রাম মহানগর ছাত্রলীগের উপ-আইন সম্পাদক মুনীর চৌধুরী এর সভাপতিত্বে ও এন আই টি ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক তাহমিদ বিন জামাল ও বাকলিয়া থানা ছাত্রলীগ নেতা ছৈয়দ মোহাম্মদ সাদিক শাহরিয়ার ও সাইফুর রহমান আকাশ এর যৌথ সঞ্চালনায় উক্ত মানববন্ধন পালিত হয়।

উক্ত মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন, বাকলিয়া থানা আওয়ামী লীগের সদস্য মোক্তার হোসেন লিটন, ১৯নং ওয়ার্ড যুবলীগ নেতা মাশরুর হোসাইন, চট্টগ্রাম মহানগর ছাত্রলীগের সহ-সম্পাদক ওসমান গণি, সদস্য ইফতেখার হোসাইন শায়ান; সিটি কলেজ ছাত্রলীগ নেতা জাহাঙ্গীর আলম, চট্টগ্রাম কলেজ ছাত্রলীগ নেতা মোঃ বেলাল, কমার্স কলেজ ছাত্রলীগ নেতা রবিউল আলম রবিন, চট্টগ্রাম পলিটেকনিক ইন্সটিটিউট ছাত্রলীগের সাবেক সহ-সম্পাদক তৌহিদুল ইসলাম, পিসিআইইউ ছাত্রলীগের সহ-সভাপতি অনিকমান বড়ুয়া, সাংগঠনিক সম্পাদক নিঝুম পারিয়াল রাজ; সদরঘাট থানা ছাত্রলীগ নেতা এবিএস বাবর ও নগর ছাত্রলীগ নেতা কামরুল হাসান আরমান।

বাকলিয়া থানা আওয়ামী লীগের সদস্য মোক্তার হোসেন লিটন বলেন, ‘যারা হাইব্রিড, তারা আজকে জননেত্রী শেখ হাসিনা’র প্রকৃত কর্মীদের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রে লিপ্ত হয়েছে। তারা ছদ্মবেশে আমাদের ভিতর ঢুকে আওয়ামী লীগকে ধ্বংস করার এজেন্ডা নিয়ে মাঠে নেমেছে। আমরা ষড়যন্ত্রকারীদের দাঁতভাঙা জবাব দিতে প্রস্তুত আছি। আমরা সাইফুল আলম লিমনকে যে প্রহসনমূলক মামলা দিয়ে গ্রেপ্তার করা হয়েছে তার তীব্র নিন্দা জানাই ও অনতিবিলম্বে নিঃশর্ত মুক্তির দাবি জানাই।’

এদিকে চট্টগ্রাম মহানগর ছাত্রলীগের উপ-আইন বিষয়ক সম্পাদক মুনির চৌধুরী বলেন,‘ সাইফুল আলম লিমন কোন সন্ত্রাসী নন। তিনি চট্টগ্রামের অসংখ্য ছাত্রলীগ কর্মীর নেতা। চট্টগ্রামের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোতে তার কর্মী রয়েছে। লিমন ভাই এর যোগ্যতার কাছে পরাজিত হওয়ার ভয়ে আজকে একদল লোক ষড়যন্ত্রে লিপ্ত হয়েছে। আমরা এই ষড়যন্ত্রের তীব্র নিন্দা জানাই এবং লিমন ভাই এর মুক্তির দাবি জানাই।

মানববন্ধনে বক্তারা আরও বলেন, ‘সাইফুল আলম লিমন চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক মেধাবী ছাত্রনেতা। তিনি জামাত বিএনপির আমলে দলের দুঃসময়ে রাজনীতি করেছেন। তিনি কোন সন্ত্রাসী নন।’ তার রাজনৈতিক যোগ্যতার কাছে পরাজিত হয়ে একটি পক্ষ ষড়যন্ত্রের পথ বেছে নিয়েছেন বলে দাবি করেন বক্তারা। তারা আরও বলেন লিমন যদি সন্ত্রাসী কিংবা কিশোরগ্যাং হতো তবে এতগুলো ইউনিটের ছাত্রনেতা, শ্রমিক নেতা ও যুবনেতা তার মুক্তির দাবিতে মানববন্ধন করতেন না।

এছাড়া উক্ত মানববন্ধনে আরও উপস্থিত ছিলেন  বাকলিয়া থানা ছাত্রলীগের সংগঠক তোফাজ্জল হোসেন রুকন, ছৈয়দ মোহাম্মদ সাদিক  শাহরিয়ার, তালুকদার আসিফ, তূর্যয় সাজ্জাদ, মোহাম্মদ সাকিব, বাকলিয়া থানা বঙ্গবন্ধু ছাত্র পরিষদের সহ-সভাপতি রকিব হাসান। এবং বাকলিয়া কলেজ ছাত্রলীগের সাবেক সহ-সভাপতি সাইফ মোহাম্মদ আরমান, সহ-সভাপতি রিদুওয়ানুল হক, সাধারণ সম্পাদক এম.এম মোহাইমিনুন, ছাত্র সংসদের ভিপি এস.এম ইনজামাম আকিব, জিএস আব্দুর রাজ্জাক শুভ, কলেজ ছাত্রলীগের ধর্ম বিষয়ক সম্পাদক তানভীরুল হক ফাহিম, উপ-প্রচার সম্পাদক শাহাদাত হোসেন রাকিব; বাকলিয়া শহীদ এন.এম.জে কলেজ ছাত্রলীগ নেতা শাকিল আরিফ, মোহাম্মদ ইউনুস, সাব্বির আলম সোহাগ, ভিকি দেব সানি।

উল্লেখ্য গত ৫ নভেম্বর দিবাগত রাতে সাইফুল আলম লিমন কে তার বাসা থেকে গ্রেপ্তার করে ডিবি পুলিশ। পরদিন ৬ নভেম্বর অস্ত্র আইনে করা একটি মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে আদালতে সোপর্দ করা হয় সাইফুল আলম লিমন কে।

সর্বশেষ সংবাদ

চট্টগ্রাম প্রতিদিন পাতার আরো খবর