সোমবার, ৩০ নভেম্বর, ২০২০
ঝাল খান, অকাল মৃত্যুর ঝুঁকি কমান

সুস্থ থাকতে নিয়মিত ঝাল খাওয়ার পরামর্শ দিলেন হৃদরোগ বিশেষজ্ঞরা। 

সমীক্ষায় দেখা গেছে, প্রচুর পরিমাণে মশলাদার খাবার খাওয়ার ফলে এক চতুর্থাংশের মধ্যে অকাল মৃত্যুর ঝুঁকি কমে যায়। যারা নিয়মিত এ ধরনের খাবার খান তাদের কার্ডিওভাসকুলার ডিজিজ (সিভিডি) বা ক্যানসারে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি যথাক্রমে ২৬ এবং ২৩ শতাংশ কম।

ক্লিভল্যান্ড ক্লিনিকের হার্ট, ভাস্কুলার এবং থোরাসিক ইনস্টিটিউটের হৃদরোগ বিশেষজ্ঞ ডা. বো জু সম্প্রতি আমেরিকান হার্ট অ্যাসোসিয়েশনের (এএইচএ) ভার্চুয়াল সভায় এ গবেষণাপত্র উপস্থাপন করেন। বড় ধরনের এ গবেষণা বিশ্বজুড়ে প্রায় ৬ লাখ মানুষের স্বাস্থ্য ও ডায়েট রেকর্ডের ওপর ভিত্তি করে করা হয়েছে।

এ প্রসঙ্গে ব্রিটিশ হার্ট ফাউন্ডেশনের পুষ্টি বিভাগের প্রধান ডা. ভিক্টোরিয়া বলেন, রান্নায় ভেষজ এবং মশলাযুক্ত করাটা খাবারের স্বাদে বৈচিত্র্য আনার পাশাপাশি পুষ্টির একটি দুর্দান্ত উপায় হয়ে ওঠে। রান্নায় কাঁচা মরিচ, শুকনা মরিচ, গোলমরিচ এবং লেবুর রস যুক্ত করাটা যেমন স্বাস্থ্যকর তেমনি এটি লবণের পরিমাণ কমাতেও সহায়তা করে।

হাত-পা অবশ হয় যেসব কারণে

প্রায়ই আমরা দীর্ঘক্ষণ একই ভঙ্গিমায় বসে থাকার কারণে আমাদের হাত পা ঠিক মতো কাজ করে না। আসুন জেনে নেই কেন এমনটা ঘটে।

কখনো কখনো দীর্ঘক্ষণ হাতের উপর ভর দিয়ে শুয়ে থাকলে বা পায়ের উপর পা তুলে রাখার ফলে অবশ হয়ে যাওয়া স্বাভাবিক ঘটনা।

তবে এমনটা বার বার হতে থাকলে এবং শরীরের অন্যান্য অংশেও হলে সতর্ক হওয়া জরুরি। মাল্টিপল স্ক্লেরোসিসের কারণে এমনটা হতে পারে। এই সমস্যায় স্নায়ুতন্ত্রের মায়োলিন সিথ ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে।

যে সব মানুষ ডায়াবেটিসে আক্রান্ত তাদের অনেকের মধ্যেই পেরিফেরাল স্নায়ু রোগের প্রকোপ লক্ষ্য করা যায়। পেরিফেরাল স্নায়ুর সমস্যায় পায়ের পাতা ঘন ঘন অবশ হয়ে যেতে পারে। পরবর্তীকালে এই অবশ ভাব শরীরের উপরের অংশেও ছড়িয়ে পড়ে।

স্নায়ু ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার ফলে হাত, পা ও শরীরের অন্যান্য অংশে তীব্র ব্যথা এবং জ্বালা হতে পারে। স্নায়ুরোগ বিশেষজ্ঞদের মতে, নিউরালজিয়ার কারণে এমনটা হতে পারে। শরীরের যে কোনো অংশেই এই সমস্যা হতে পারে। বিশেষ করে কোনো সংক্রমণের কারণে বা বয়সের কারণে হতে পারে এই রোগ।

মস্তিষ্কে যদি রক্ত সরবরাহ পর্যাপ্ত না হয় সে ক্ষেত্রে স্ট্রোক হয়। বিশেষ করে রক্তনালী কোনো কারণে বাধাপ্রাপ্ত হলে এমন হয়। স্ট্রোকের প্রথম লক্ষণ হলো বাঁ হাত অবশ হয়ে যাওয়া যা ক্রমশ হাতের তালু পর্যন্ত ছড়িয়ে পরে।

সিস্টেমিক ডিজিজে হরমোনের ভারসাম্য নষ্ট হলে, এর জন্য ক্যান্সার সৃষ্টিকারী টিউমার বা স্নায়ুর নানা সমস্যা হতে পারে। প্রাথমিক ভাবে সিস্টেমিক ডিজিজে হাত, পা-সহ শরীরের একাধিক অংশ অবশ হয়ে যেতে পারে।

আইফোন ১২ বাজারে আসার দিনক্ষণ চূড়ান্ত

মার্কিন বহুজাতিক প্রযুক্তি কোম্পানি অ্যাপল ইনকরপোরেটেডের ‘আইফোন ১২’ চলতি বছরের অক্টোবরেই বাজারে আসছে। ইতোমধ্যে আইফোন উন্মোচন ইভেন্টের আমন্ত্রণপত্র পাঠানো শুরু করেছে অ্যাপল। আমন্ত্রণপত্রে লেখা, ১৩ অক্টোবর অ্যাপল পার্ক থেকে প্রচারিত ইভেন্টটি দেখা যাবে অ্যাপল ডটকম ওয়েবসাইটে। ইভেন্ট শুরু হবে বাংলাদেশ সময় রাত ১১টায়। 

এ ঘোষণার আগেই আলোচনার তুঙ্গে আইফোনের সর্বশেষ সংস্করণটি। ফোনটি কেমন হতে যাচ্ছে, কত দামে কেনা যাবে এসব নিয়ে আলোচনায় মেতেছে অ্যাপলপ্রেমীরা।

ভোক্তাদের আগ্রহকে বিবেচনায় এনে ‘আইফোন ১২ এর আগাম ধারণা দিয়েছে মার্কিন সাময়িকী ফোর্বস, প্রযুক্তিবিষয়ক ওয়েবসাইট দ্য ভার্জ।

অ্যাপলের কর্মকর্তাদের বরাত দিয়ে ভার্জ জানিয়েছে, ‘আইফোন ১২’ একটি ফাইভজি প্রযুক্তির ফোন। এটির চারটি সংস্করণ বাজারে অবমুক্ত হবে। সংস্করণগুলো হলো- ‘আইফোন ১২’, ‘আইফোন ১২ ম্যাক্স’ ‘আইফোন ১২ প্রো’ ‘আইফোন ১২ প্রো ম্যাক্স’।

প্রতিটি সংস্করণের সাইজে ভিন্নতা থাকছে। আইফোন ১২ ফোনটি হবে ৫.৪ ইঞ্চি, আইফোন ১২ ম্যাক্স ৬.১ ইঞ্চি, আইফোন ১২ প্রো ৬.১ ইঞ্চি এবং আইফোন ১২ প্রো ম্যাক্স ফোনটি হবে ৬.৭ ইঞ্চি।

শুধু আকারেই নয় সংস্করণ অনুযায়ী এর ক্যামেরা ও ব্যাটারিতেও পার্থক্য থাকবে। এবার মূল প্রশ্নের দিকে আসা যাক। দাম কত?

ফোনের দামের ক্ষেত্রে বলা হয়েছে, বিশ্বজুড়ে করোনার কারণে দাম কিছুটা কমিয়ে ফোনটি বিক্রি করা হবে ৬৪৯ থেকে এক হাজার ৯৯ মার্কিন ডলারের মধ্যে। বাংলাদেশি টাকায় ৯৩ হাজার ৪১৫ টাকা।

ঘরেই তৈরি করুন ফল-সবজির রায়তা

সারাদিন স্বাস্থকর খাবার খাওয়াটা জরুরী। তবে প্রতিদিন একই রকম খাবার কারোরই ভালো লাগে না। তাই খাবারে ভিন্নতা আনা প্রয়োজন। সবজি ফলের রায়তা অত্যন্ত সুস্বাদু এবং স্বাস্থকর একটি খাবার। তাই প্রিয়জনদের সামনে নতুন কিছু দিতে ঘরে  তৈরি করতে পারেন সবজি ফলের রায়তা। দেখে নিন ফলের রায়তা তৈরিতে কি লাগবে আর কিভাবে তৈরি করতে হবে।

উপকরণ:

আপেল কুচি আধা কাপ, পাকা আম কুচি আধা কাপ, লাল আঙুর কুচি আধা কাপ, পাকা পেঁপে কুচি আধা কাপ, শসা কুচি ১ কাপ, গাজর মিহি কুচি আধা কাপ, কাঁচামরিচ কুচি ১টি, চিনি ১ টেবিল চামচ, লেবুর রস ২ টেবিল চামচ, সাদা গোলমরিচ গুঁড়া ১ চা চামচ, বিট লবণ ১ চা চামচ, ধনে পাতা কুচি ২ টেবিল চামচ, পুদিনা পাতা কুচি ২ টেবিল চামচ, জিরা টালা গুঁড়া ১ চা চামচ, ভাজা কাজু বাদাম কুচি ৩ টেবিল চামচ, টক দই ১ কাপ, মিষ্টি দই ১ কাপ, লবণ পরিমাণমতো।

প্রণালী:

গাজর, শসা ও সব ফলের কুচি লেবুর রস দিয়ে মাখিয়ে রাখতে হবে। ধনে পাতা, পুদিনা পাতা, জিরা গুঁড়া ও কাজু কুচি বাদে বাকি সব উপকরণ টক দই ও মিষ্টি দইয়ের সঙ্গে মিশিয়ে ভালোভাবে ফেটিয়ে লেবু মাখানো সবজি ও ফলের কুচি মিলিয়ে পরিবেশন পাত্রে ঢেলে জিরা টালা গুঁড়া, ধনে পাতা কুচি, পুদিনা পাতা কুচি ও কাজু কুচি ছিটিয়ে পরিবেশন করতে হবে।  

তরকারিতে লবণ বেশি হলে কী করবেন?

তরকারি যত ভালো করে রান্না করেন না কেনো। একটু লবণ বেশি হলেই খাওয়া মুশকিল। অনেক সময় বিভিন্ন কারণে আমরা তরকারি রান্না করতে গিয়ে লবণের পরিমাণটা একটু বেশি বাড়িয়ে দেয়। পরে খাওয়ার সময় বাধে বিপত্তি। তাই তরকারিতে লবণ বেশি হলেই কী করবেন? এই প্রতিবেদনে থাকছে সে বিষয়ে বিস্তারিত-

আলু: যেসব তরকারিতে ঝোল বেশি থাকে, সেখানে লবণ বেশি হলে এক টুকরো আলু খোসা ছিলে দিয়ে দিলেই কেল্লা ফতে। এভাবে আলু দিয়ে ঝোল ২০ মিনিট জ্বাল দিলেই অতিরিক্ত লবণ শুষে নেবে তা। 

আটার কাঈ: বাড়িতে আলু না থাকলে আটার কাঈ দিয়েও অতিরিক্ত লবণ কমিয়ে ফেলা যায়। আধকাপ আটা নিয়ে তাতে কিছুটা পানি আর দুই ফোঁটা তেল দিয়ে ভালোভাবে মথে নিয়ে ছোট ছোট বল তৈরি করে ছেড়ে দিন তরকারিতে। রান্না শেষে পরিবেশনের আগে বলগুলো তুলে ফেলে দিন। দেখবেন অতিরিক্ত লবণ নিমিষেই গায়েব!

ঘন দুধ: ভুনা তরকারির লবণ কমাতে খুবই কার্যকর ঘন দুধ। আগে থেকে জ্বাল দেয়া ঘন দুধ আধ কাপ ঢেলে দিয়ে তরকারি কষালেই লবণের ভারসাম্য ফিরে আসবে। তরকারির স্বাদও এতে বাড়বে বহুগুণ।

দই: ঘন দুধের মতো একই কাজ করবে দইও। যাদের মিষ্টিতে আপত্তি নেই, তারা মিষ্টি দই ব্যবহার করতে পারেন। নাহলে টক দইও খুব ভালো কাজ করবে এক্ষেত্রে। তবে দই দেয়ার আগে ভালোভাবে ফেটিয়ে নিতে হবে। 

পেঁয়াজ: আস্ত পেঁয়াজের খোসা ছাড়িয়ে দুই টুকরা করে তরকারিতে ছেড়ে দিলে তা অতিরিক্ত লবণ শুষে নেয়। পরিবেশনের আগে তা ফেলে দিলেই হলো। এক্ষেত্রে ব্যবহার করতে পারেন ভাজা পেঁয়াজও। সেক্ষেত্রে তরকারিতে আসবে অন্যরকম এক মসলাদার স্বাদ! 

ভিনেগার ও চিনি: এক টেবিল চামচ ভিনেগারে দুই চা চামচ চিনি মিশিয়ে তা ঢেলে দিন তরকারিতে। ভিনেগারের টক স্বাদ, আর চিনির মিষ্টি একত্রে মিলে তরকারির অতিরিক্ত লবণাক্ত স্বাদকে দুর করবে সহজেই।

এক নম্বরে চার ফোনে খোলা যাবে হোয়াটসঅ্যাপ!

জনপ্রিয় যোগাযোগ মাধ্যম হোয়াটসঅ্যাপে এখন একসঙ্গে চারটি স্মার্টফোন থেকে লগ ইন করতে পারবেন ইউজাররা।

তথ্য প্রযুক্তি সংক্রান্ত ওয়েবসাইট WABetaInfo-র রিপোর্ট অনুযায়ী শেষ পর্যায়ের কাজ চলছে। তবে ইতোমধ্যেই চ্যাট হিস্ট্রি, চ্যাট মিউট করার ফিচার্স এবং মেসেজ ডেলিভারির মতো ফিচার্সের কাজ শেষ।

এছাড়াও ডেস্কটপের জন্য বিশেষ ইউজার ইন্টারফেস বা UI-এর উপরও WhatsApp কাজ করছে বলে জানা গেছে। নিজেদের সোশ্যাল মিডিয়ায় সেই নয়া UI-এর ইঙ্গিত দিয়ে একটি স্ক্রিনশটও শেয়ার করেছে  WABetaInfo। জানা গেছে, নয়া UI লাইভ হলে ডিভাইস টু ডিভাইস ডেটা শেয়ারিং লাইভ হতে পারে।
 
বর্তমানে ১৮০টি দেশের ১৫০ কোটি মানুষ WhatsApp ব্যবহার করেন। এদের মধ্যে বিশ্বের ১০০ কোটি দৈনিক এই মেসেজিং অ্যাপ ব্যবহার করে থাকেন।

কর্মক্ষেত্রে সফল হওয়ার উপায়

কর্মক্ষেত্রে সফল হওয়ার গুণাবলি অর্জন করার উপায় খুব কঠিন কিছু নয়। আমরা সবাই নিজ নিজ ক্যারিয়ারে সফল হতে চাই। কর্মক্ষেত্রে সফল মানে সর্বোচ্চ প্রোডাক্টিভিটির সাথে নিজের কাজ করতে পারা এবং সেই কাজ দিয়ে নিজের আর্থিক, সামাজিক ও অন্যান্য সবকিছুকে ভালো পর্যায়ে নিয়ে যাওয়া।

সফল মানুষ হিসেবে অনুসরণীয় ব্যক্তি মনে করা হয়ে থাকে বিল গেটস, স্টিভ জবস, মার্ক জাকারবার্গ, জ্যাক মা,  জেফ বেজোসদের। তাদের  ভেতর ‘কমন’ একটা গুণ আছে আর তা হল, সবাই অসাধারণ নেতা।

কিন্তু সমস্যা হল এটা জেনেও অন্যরা গুণটির অধিকারী হতে পারেন না। মনস্টার ওয়েবসাইটের কিছু পরামর্শ আছে, যেগুলো কাজে লাগিয়ে এই গুণ আয়ত্তে আনতে পারেন।

কাজের প্রতিটি বিষয়ে গভীর মনোযোগ দিন : আপনি যে কাজই করেন না কেন, কাজের প্রতিটি খুঁটিনাটি বিষয়ের প্রতি গভীর মনোযোগ দিন। কিভাবে কাজ হচ্ছে, আপনার কাজের ফলে কোথায় কি পরিবর্তন হচ্ছে – সব বিষয় গভীর ভাবে খেয়াল করুন। এতে করে, কাজের বিষয়ে সবকিছু আপনার নজরে আসবে। যতক্ষণ কাজ করবেন– কাজে পূর্ণ মনোযোগ বা ফোকাস রাখুন। এর ফলে কাজটিকে আপনি খুব ভালোমত বুঝতে পারবেন।

পরিকল্পনা করে কাজ করুন : গুছিয়ে কাজ করার জন্য আপনাকে অবশ্যই ছকে বাঁধা পরিকল্পনা অনুযায়ী কাজ করতে হবে। কোন দিন কোন কাজ করবেন – কতটুকু কাজ করবেন, এগুলো রুটিন করে নিন। প্রতিষ্ঠানের পক্ষ থেকে একটা রুটিন দেয়া হবে, আর সেই রুটিন ফলো করার জন্য আপনার নিজেরও একটি রুটিন থাকতে হবে। নিজের একটি খাতা/বোর্ড অথবা কম্পিউটারের ফাইলে করণীয় কাজগুলো গুছিয়ে রাখুন।

সব সময়ে নতুন কিছু শেখার চেষ্টা করুন : আপনি যে ধরনের কাজেই করেন না কেন, সেই বিষয়ে সবকিছু জানা সম্ভব নয়। প্রতিটি বিষয়ই দিন দিন আপডেট হচ্ছে। সময়ের সাথে আপনিও যদি নিজেকে আপডেট করতে পারেন, তবে কর্মক্ষেত্রে অনেক এগিয়ে যাবেন। আপনি যদি একজন মার্কেটার হন, তবে প্রতিদিন মার্কেটিং বিষয়ে কিছু না কিছু পড়ার চেষ্টা করুন। এ্যাকাউন্টেন্ট, শিক্ষক, সাংবাদিক, ব্যবসায়ী, ইঞ্জিনিয়ার যেটাই হোন না কেন – চাইলেই নতুন নতুন বিষয় শিখতে পারবেন।

ম্যাগাজিন, বই, টিউটোরিয়াল, রিসার্চ পেপার গুলোতে প্রতিদিনই নতুন নতুন বিষয় নিয়ে আলোচনা আসছে। এখন ইন্টারনেটের কল্যাণে যে কোনও বিষয়েই আপডেট থাকা অনেক সহজ হয়ে গেছে। শুধু প্রয়োজন সদিচ্ছা। এর বাইরে সময় পেলে নতুন নতুন কোর্স করুন, সিনিয়রদের কাছ থেকে শেখার চেষ্টা করুন।

আশাবাদী : অফিসের অন্যরা যে প্রজেক্ট নিয়ে হতাশা দেখাবেন, সেই প্রজেক্টে আপনি যদি যুক্তিসংগতভাবে আশার ক্ষেত্র খুঁজে বের করতে পারেন, তবে বসের নজরে পড়বেন। এ জন্য ‘গালভরা’ কথা না বলে আপনাকে সমস্যা সমাধানের পথ খুঁজতে হবে। একে বলে ‘সিক্রেট অব নেচার’।

লেস অ্যাটাক, মোর রেসপেক্ট : সহকর্মীর ভুল ধরার প্রবণতা বাদ দিন। ধরতে হলে সহমর্মিতা নিয়ে কথা বলুন। নিজেকে জাহির করতে গেলে সম্পর্ক নষ্ট হবে। কেউ আপনাকে গুরুত্ব দেবে না।

পেশাদার মনোভাব : সব সময় কাজের বিনিময়ে কথা বলার চেষ্টা করুন। কাউকে জবাব দিতে হলে কাজ দিয়ে দিন। যে কাজ অন্য কেউ ছেড়ে দেবে, উৎসাহ দেখাবে না সেই কাজে আপনি এগিয়ে যান।

বাড়তি সময় : কাজ সবাই করে। কেউ কেউ বাড়তিও করে। কিন্তু ক্রেডিট সবাই পায় না। গুরুত্বপূর্ণ সময়ে বাড়তি কাজ করতে পিছপা হবেন না। অযথা বাড়তি সময় না দিয়ে গুরুত্ব বুঝে বেশি কাজ করুন।

লেগে থাকা : কাজ শেষ না করা পর্যন্ত এর পেছনে লেগে থাকতে হবে। ধৈর্য ও একাগ্রতা ছাড়া কোনোভাবে সফলভাবে নেতৃত্ব দেয়া যায় না। 

বুড়ো হতে না চাইলে রয়েছে ১২ খাবার

বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে মানুষের ত্বকেও তার ছাপ বোঝা যায়। চামড়া ঢিলা হয়ে আসে। বয়সের সাথে সাথে প্রত্যেকেরই এই সমস্যা হয়। তবে অনেকেই চান ত্বকে তারুণ্য ধরে রাখতে। বিভিন্ন দেশের সেলিব্রেটিদের দেখা যায় বয়স ৫০ বছরের উপর গেলেও ত্বকে থাকে তারুণ্য। এমন তারুণ্য যদি আপনি ধরে রাখতে চান তাহলে বেশ কিছু খাবার নিয়মিত খেতে পারেন।

ত্বকের সঙ্গে এমন কিছু খাবার সম্পর্কে যেগুলো খাওয়া শুরু করলে ত্বকের বয়স তো কমবেই, সেই সঙ্গে জিনের অন্দরে এমন কিছু পরিবর্তন হতে শুরু করবে যে তার প্রভাবে শরীরেরও বয়স কমবে চোখে পড়ার মতো। এই খাবারগুলি খেলে কিন্তু বাস্তবিকই বয়স ধরে রাখা সম্ভব।

অলিভ অয়েল: অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট এবং অ্যান্টি-ইনফ্লেমেটরি মনোস্যাচুরেটেড ফ্যাটে ভরপুর এই তেলটি ক্যান্সার প্রতিরোধ করার পাশাপাশি বয়সজনিত নানা অসুবিধা কমাতেও দারুন কাজে আসে।

ফাইবার সমৃদ্ধ খাবার: শরীরের বয়স কমাতে এই উপাদানটির কোনো বিকল্প হয় না বললেই চলে। তাই দেহকে রোগমুক্ত রাখার পাশাপাশি শরীর এবং ত্বকের বয়স যদি ধরে রাখতে চান, তাহলে রোজের ডায়েটে মটরশুঁটি, ডাল, ব্রকলি, ছোলা, অ্যাভোকাডো এবং ওটমিলের মতো ফাইবার সমৃদ্ধ খাবার রাখতে ভুলবেন না যেন!

জাম: এই ফলটিতে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট, যা বয়স বাড়ার গতিকে আটকায়। শুধু তাই নয়, ক্র্যানবেরি, স্ট্রবেরি এবং অবশ্যই ব্ল্যাক বেরি শরীরের সার্বিক গঠনের উন্নতি ঘটাতেও বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে।

সবুজ শাকসবজি: বেশ কিছু গবেষণায় দেখা গেছে কপি পাতা এবং পালং শাকে ফাইটোনিউট্রিয়েন্ট নামে এক ধরনের অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট রয়েছে, যা সেলের ক্ষয় আটকে ত্বক এবং শরীরে বয়স ধরে রাখতে বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে।

বাদাম: শরীরকে ভাল রাখতে উপকারি ফ্যাটেরও প্রয়োজন পড়ে। তাই প্রতিদিন বাদাম খান মুঠো ভরে।

শস্যদানা: ঝাড়াই করা শস্য দানার পরিবর্তে যদি হোল গ্রেন খাওয়া যায়, তাহলে বয়স বাড়ার হার অনেকটাই হ্রাস পায়। শুধু তাই নয় এই ধরনের খাবার বয়সজনিত নানা রোগ হওয়ার আশঙ্কাও কমায়, বিশেষত হার্টের রোগ হওয়ার পথ আটকায়।

গ্রিন টি: প্রতিদিন এক কাপ করে গ্রিন টি পান করলে শরীরে প্রচুর মাত্রায় অ্যান্টিঅক্সিডেন্টের প্রবেশ ঘটে। আর যেমনটা আমাদের সকলেই জানা যে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট, ক্যান্সার, হার্ট ডিজিজ, এমনকি অ্যালঝাইমার রোগ আটকাতে নানাভাবে সাহায্য করে থাকে।

মটরশুঁটি: হার্টকে নানা ক্ষতিকর উপাদানের হাত থেকে বাঁচানোর পাশাপাশি শরীরে প্রোটিনের চাহিদা মেটাতে মটরশুঁটির কোনো বিকল্প নেই। তাই আপনি যদি দীর্ঘদিন জোয়ান থাকতে চান, তাহলে এই কাজে আপনাকে সাহায্য করতে পারে এই খাবারটি।

টমেটো: লাইকোপেন নামক এক ধরনের অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট রয়েছে টমেটোতে, যা ত্বকের বয়স কমায়। শুধু তাই নয়, স্টমাক, লাং এবং প্রস্টেট ক্যান্সারের মতো মারণ রোগকে প্রতিরোধ করতেও এই সবজিটি দারুন কাজে আসে।

মাছ: যেমনটা আমরা সকলেই জানি যে মাছে রয়েছে ওমেগা-ত্রি ফ্যাটি অ্যাসিড। এই উপাদানটি শরীরের অন্দরে যে কোনও ধরনের প্রদাহ কমাতে দারুন কাজে আসে। ফলে শরীরের বয়স বেড়ে যাওয়ার আশঙ্কা কমে। তাই সপ্তাহে দুবার অন্তত মাছ খান। এমনটা করলে দেখবেন স্ট্রোক এবং অ্যালঝাইমারের মতো রোগ হওয়ার আশঙ্কা কমবে। ফলে বাড়বে আয়ু।

দই: বেশ কিছু গবেষণায় দেখা গেছে, প্রতিদিন দই খাওয়া শুরু করলে দেহের ভেতরে প্রোটিনের ঘাটতি দূর হয়, সেই সঙ্গে উপকারি ব্যাকটেরিয়ার মাত্রা বাড়তে শুরু করে। সেই সঙ্গে রিবোফ্লাবিন, ফসফরাস, ক্যালসিয়াম এবং ভিটামিন বি১২ এর মাত্রাও বাড়তে থাকে, যার প্রভাবে শরীরের বয়স কমে চোখে পড়ার মতো। সেই সঙ্গে একাধিক রোগের খপ্পরে পড়ার আশঙ্কাও হ্রাস পায়।

উপুড় হয়ে ঘুমালে যেসব মারাত্মক ক্ষতি

মানুষ বরাবরই ঘুমপ্রিয়। মানুষ ভেদে মানুষের ঘুমের স্টাইল একেক জনের একেক রকম। কেউ সোজা হয়ে, কেউ বাঁকা আবার কেউ বা উপুড় হয়ে ঘুমিয়ে থাকেন। তবে উপুড় হয়ে শুলে শরীরের নানা ক্ষতি হতে পারে। জেনে নেই উপুড় হয়ে শুলে ঠিক কী ক্ষতি হতে পারে।

প্রধানত আপনার শরীরে মেরুদণ্ড ও অন্ত্রের ওপর খুব খারাপ প্রভাব পড়তে পারে এভাবে শুলে। যার ফলে আপনার ঘাড়ে পিঠে ব্যথা হতে পারে। এছাড়াও এই অভ্যাসের ফলে শ্বাস-প্রশ্বাসের স্বাভাবিক প্রক্রিয়ার উপর খারাপ প্রভাব পড়তে পারে। যার ফলে রাতে ঘুমের ব্যাঘাত হতে পারে এবং আপনার সামান্য সময়ের আরাম আপনাকে ভবিষ্যতে অনেক অসুবিধার মুখে ফেলতে পারে। সেটি মাথায় রাখতেই হবে।

উপুড় হয়ে কাজ করলে আপনার শিড়াদাঁড়াতেও প্রভাব পড়তে পারে। সেক্ষেত্রে পিঠে ব্যথা হতে পারে। তাই শুধু বুকে চাপ পড়া নয়, পিঠের চাপও এক্ষেত্রে পরে সমস্যায় ফেলতে পারে।

তাই প্রথমত যে কাজগুলি আপনি উপুড় হয়ে শুয়ে করছেন, সেগুলি বসে করুন। চেয়ারে বসে কাজ করতে পারেন। এছাড়া, রাতে ঘুমানোর প্রশ্ন থাকে, তাহলে আপনাকে শরীরের যে কোনোও একটি পাশে একটি বালিশ রাখা দরকার। সেটি সামান্য হলেও একটিকে শরীরকে উঁচু করে রাখবে। তাতে বুকে বা পেটে চাপ কম পড়বে। আবার ঘুমও আসবে, কারণ আপনার ওই ভাবে ছাড়া ঘুম আসে না।