বৃহস্পতিবার, ২১ জানুয়ারী, ২০২১

শিরোনাম

স্রষ্টার প্রতিটি সৃষ্টি থাকুক সুস্থ, ঈদ মোবারকঃ ওয়াহেদ রাসেল

বিশ্বের এই ক্রান্তিলগ্নে মহামারী কোভিট-১৯ কে সাথে নিয়েই আগামীকাল পবিত্র ঈদুল ফিতর পালন করতে যাচ্ছে বাংলাদেশ সহ সমগ্র বিশ্বের ধর্ম প্রাণ মুসলমানগণ।
সকলকে জানায় ঈদ মোবারক

আমাদের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী দেশরত্ন শেখ হাসিনা ইতি মধ্যেই দেশের অর্থনীতি ও দেশের মানুষের নিরাপত্তার স্বার্থে বিভিন্ন প্রণোদনা প্যাকেজ, সামাজিক দুরুত্ব নিশ্চিত করণে ও স্বাস্থ্যসেবায় বিভিন্ন পদক্ষেপ নিয়েছেন। জননেত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশনায় চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের মাননীয় মেয়র ও চট্টগ্রাম মহানগর আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক আলহাজ্ব আ জ ম নাছির উদ্দিন ভাই চট্টগ্রামের সকলকে সাথে নিয়ে এবং স্বাস্থ্যসেবায় নিয়োজিত সকলের পরামর্শ নিয়েই চট্টগ্রামের নগরবাসীকে সুরক্ষা প্রদানে নিরলস পরিশ্রম করে যাচ্ছেন৷

রমজানের এই শেষ দিনে, মহান আল্লাহ রাব্বুল আলামীনের কাছে প্রার্থনা করি এই বিশ্বের সকল সৃষ্টিই সুস্থ থাকুক। সকলেই ভালো থাকুন, সুস্থ থাকুন, নিরাপদে থাকুন, সামাজিক দুরত্ব মেনে চলুন ।
পরিশেষে বলি, নির্মল করো মঙ্গল করো, মলিন মর্ম মুছায়ে।

আবারো ঈদের শুভেচ্ছা রইল সকলের প্রতি।


ওয়াহেদ রাসেল
সাবেক সদস্য, বাংলাদেশ ছাত্রলীগ কেন্দ্রীয় নির্বাহী সংসদ।
যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক, বাংলাদেশ ছাত্রলীগ, চট্টগ্রাম মহানগর। 

মানবিকতায় এগিয়ে ছাত্রলীগঃ শাহ্জাদা মহিউদ্দিন

চট্টগ্রামে ছোট চাকুরী করা ছাত্রলীগের সাবেক একজন কর্মী লজ্জা বুকে চেপে ছাত্রলীগের অন্য এক নেতার নিকট ম্যাসেঞ্জারে সাহায্য প্রার্থনা করছেন। বিভিন্ন সাম্প্রতিক পারিবারিক অবস্থা কিছুটা নাজুক হয়ে পড়া সত্বেও ছাত্রলীগের সাবেক কর্মীবান্ধব এক কেন্দ্রীয় নেতার অনুপ্রেরনায় সে সাধ্যানুযায়ী কর্মীদের সহযোগীতা করে যাচ্ছে দেখেই অনন্যোপায় হয়ে বুকে চাপা কষ্ট নিয়ে তার কাছে সাহায্য প্রার্থনা করছে।

ঐ ছাত্রনেতা তার ফেসবুকে সাহায্যপ্রার্থীর নাম পরিচয় গোপন রেখে ম্যাসেঞ্জারের স্ক্রিনশটসহ একটি আবেগঘন স্ট্যাটাস প্রদান করে।ম্যাসেন্জারে তার লিখাগুলো পড়েই বুজতে বাকি থাকে না ছাত্রলীগ করা ছেলেগুলো কেমন আছে! এহেন করুন,শোচনীয় অবস্থা অনেকেরই যারা সামাজিক এবং লোকলজ্জায় সর্বোপরি ফেসবুকে ছবি ছাপার বিব্রতকর প্রতিযোগিতার কারণে প্রকাশ করতে পারছে না।

যে ছাত্রলীগ নেত্রীর নির্দেশে কৃষকের সহায়তায় জন্য কাস্তে হাতে মাঠে নেমে পড়েছে ধান কাটতে, ক্লাস রুম থেকে বেরিয়ে নিজেদের গড়া ল্যাবে নিজেরা হ্যান্ড স্যানিটাইজার বানিয়ে দেখিয়েছে, গ্লাভস, মাস্ক বিতরণের মাধ্যমে মানুষকে কিভাবে নিরাপদ রাখতে সহযোগীতা করা যায়। মহেষখালীর লবন চাষীদের উত্তোলনে সহযোগীতা করেছে স্থানীয় ছাত্রলীগের একদল কর্মী।

সারাদেশে কর্মহীন ক্ষুধার্থ মানুষকে নিজের পকেট খরচের টাকা দিয়ে নগদ সহযোগিতা করে যাচ্ছে। ক্যাম্পাসে ও ছাত্রলীগ তার মানবিকতার স্বাক্ষর অব্যাহত রেখেছে। টিএসসিতে সন্ধ্যায় গেলে দেখা যায় ডাকসু সদস্য, ছাত্রলীগনেতা সৈকতের দু:সাহসী কর্মযজ্ঞ, মানুষের ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র সহযোগিতায় যেভাবে হাজার হাজার ছিন্নমূল মানুষের ইফতার-রাতের খাবার-সেহরীর ব্যবস্থা করছে,তা রীতিমতো অবিশ্বাস্য। এসময়ে প্রিয় নেত্রীর এই ছাত্রলীগ’ই তো মানবতার দূত। জানা কথা সুশীলরা অন্ধ, তাতে কি জাতি আজ দেখছে অন্য এক ছাত্রলীগ।

প্রতিদিন নিজের ম্যাসেঞ্জারে সারাদেশের হাজার হাজার বর্তমান সাবেক ছাত্রলীগ নেতা-কর্মীদের অসহায়ত্ব আর কষ্টের কথা পড়লে বুক ভারাক্রান্ত হয়ে পরে। ক্ষুদ্র সামর্থ্যে চেষ্টা করে কতটুকুই বা করা যায়!

যারা সবসময় মনে করে ছাত্রলীগের নেতাকর্মীদের মুখে হাসি থাকলে সেই হাসি প্রিয় নেত্রীর মুখের হাসি, তারা সর্বোচ্চ সামর্থ্য দিয়ে চেষ্টা করে যাচ্ছে! এই মহা দুর্যোগে এতে আর কি হয়!

এই মুহুর্তে সবসময়ের ন্যায় নেত্রীই এই অসহায় ছাত্রলীগ নেতাকর্মীদের শেষ ভরসা। সংগত কারণে সরকারী সাহায্যের জন্য তাদের হাত পাতাও সম্ভব না।এমতাবস্থায় দল থেকে একটা বিশেষ ফান্ড তৈরির কোন বিকল্প নাই। অভিভাবক সংগঠনের মানবিকতার ছোঁয়া যেন অঙ্গ সহযোগী ও ভ্রাতৃপ্রতীম সংগঠনে পড়ে।

আমার শতভাগ বিশ্বাস জয়-লেখক নেত্রীর কাছে পরিস্থিতি তুলে ধরলে বিষয়টি প্রিয় নেত্রী অত্যন্ত সহানভূতির সাথে দেখবেন।ভালোবাসা ও শুভকামনা রইলো বাংলাদেশ ছাত্রলীগের প্রতি।

সাবেক ছাত্রনেতা শাহজাদা মহিউদ্দিনের ফেইসবুক ওয়াল থেকে সংগৃহিত।

বঙ্গবন্ধুর আদর্শ ও তার মুজিব কোট- আলাউদ্দিন আলো

মুজিব কোট হচ্ছে পুরুষদের জন্য তৈরি এক ধরনের কালো কোট। এটি একটি হাতাকাটা, উঁচু-গলা বিশিষ্ট ও নিম্ন অংশে দুটি পকেট ও পাঁচ বা ছয় বোতাম সমেত নকশাকৃত গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান কর্তৃক ব্যবহৃত একটি পোশাক।

ইতিহাস কি বলে অনেকের মতেঃ শেখ মুজিব ছয় বোতাম বিশিষ্ট এই কোটটি পরতেন, যা ১৯৬৬-এর ছয়-দফা দাবীর সাথে সম্পর্কিত। তবে, বঙ্গবন্ধুর কিছু ঘনিষ্ঠজন এবং প্রবীণ আওয়ামী লীগ নেতাদের দাবি যে মুজিব কোট এবং ছয় দফা সনদের মধ্যে কোনও সম্পর্ক নেই। শেখ মুজিব এই কোটটি কবে থেকে পরতে শুরু করেছিলেন তা স্পষ্টভাবে জানা যায়নি, তবে বলা হয় যে ১৯৪৯ সালে আওয়ামী লীগ প্রতিষ্ঠিত হওয়ার পরে তিনি এই কোটটি পরতে শুরু করেন। তবে আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলায় মুজিবের আইনজীবী কামাল হোসেন বলেন যে ১৯৬৮ সাল থেকে মুজিব এই স্বতন্ত্র নকশার পোশাকটি পরতে শুরু করেছিলেন।

জনপ্রিয়তা আধুনিক যুগের রাজনীতিবিদদের মধ্যে এই কোটটি জনপ্রিয়।এটি এখন একটি আইকন হিসাবে স্বীকৃত, বিশেষত আওয়ামী লীগের নেতারা তাদের নেতার আদর্শ ও ঐতিহ্য ধারণের অংশ হিসাবে মুজিব কোট ব্যবহার করেন। তরুণ প্রজন্ম বিভিন্ন ধরনের শৈলীসহ এই কোট পরে থাকে।

মুজিব কোট এর অপব্যবহারঃ বর্তমান সময়ে রাজনৈতিক সব থেকে বড় শক্তিশালী দল বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ। আওয়ামী লীগ আদর্শ জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এই আদর্শের প্রতীক মুজিব কোট।আর মুজিব কোটের অপব্যবহার এখনকার সময়ে সব থেকে বেশি হচ্ছে।কোনরকম মুজিব আদর্শ ছাড়া,দলীয় পদ পদবী ছাড়া,দলের প্রতি কোনো ত্যাগ ছাড়া এই কোড পরিধান করে বিভিন্ন ব্যবসায়ী,সমাজসেবক সেজে এই মুজিব কোটের অবমাননা করা হচ্ছে।একটি কালো চক্র সমাজের ব্যক্তিরা বেশি পড়ছে।

মুজিব আদর্শের ত্যাগী কর্মীরাঃ আমরা যারা মুজিবের আদর্শের কর্মী আছি।জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্বপ্নের দেশ গড়ার কারিগর,আমরা এর বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করতে হবে।রুখে দাঁড়াতে হবে।আমাদের মনে রাখতে হবে এটি একটি জঘন্য অপরাধ কোন অপশক্তি এই কোট এর অপব্যবহার যেন না করতে পারে।এই প্রতিবাদের কণ্ঠস্বর হয়ে উঠুক হুংকার ভাবে।

লেখকঃ আলাউদ্দিন আলো। 

সদস্য, ওমান কেন্দ্রীয় আওয়ামী যুবলীগ।     

 

এই উৎসব ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সবার মধ্যে সম্প্রীতি ও সৌহার্দ্যের বন্ধনকে আরও সুসংহত করুকঃ শোভন চৌধুরি

“বাঙালি হিন্দুদের প্রধান ধর্মীয় উৎসব দুর্গাপূজা। সমাজে অন্যায়, অবিচার, অশুভ ও অসুরশক্তি দমনের মাধ্যমে শান্তিপ্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে এ পূজা হয়ে থাকে। আবহমানকাল ধরে এ দেশের হিন্দু সম্প্রদায় বিপুল উৎসাহ-উদ্দীপনা ও উৎসবমুখর পরিবেশে নানা উপচার ও অনুষ্ঠানাদির মাধ্যমে দুর্গাপূজা পালন করে আসছে।

হাজার বছরের শ্রেষ্ঠ বাঙালি জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান অসাম্প্রদায়িক বাংলাদেশ গড়ার যে স্বপ্ন দেখেছিলেন যা বর্তমানে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর, বঙ্গবন্ধু কন্যা, দেশরত্ন শেখ হাসিনা অসাম্প্রদায়িক ডিজিটাল বাংলাদেশে রুপান্তর করেছেন৷ এই অসাম্প্রদায়িক বাংলাদেশে শারদীয় দুর্গোৎসব এখন সর্বজনীন।

এই উৎসব ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সবার মধ্যে সম্প্রীতি ও সৌহার্দ্যের বন্ধনকে আরও সুসংহত করুক-এ কামনা করে
মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে নকল ও প্রশ্ন ফাঁস মুক্ত পরিবেশে এবং শিক্ষার গুনগত মান রক্ষা করা, কর্মমুখী শিক্ষার প্রচলন বাড়ানো জন্য অবিরাম ছুটে চলা গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের মাননীয় শিক্ষা উপ-মন্ত্রী, বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক, ব্যারিস্টার মুহিবুল হাসান চৌধুরী ওও ওমরগণি এম.ই.এস কলেজ ছাত্রসংসদের ভি.পি জনাব মো: ওয়াসিম উদ্দীন চৌধুরী ভাই এবং বাংলাদেশ ছাত্রলীগ কেন্দ্রীয়নির্বাহী সংসদের সাবেক সদস্য আব্দুর রহিম শামীম ভাইয়ের পক্ষ থেকে শারদীয় দুর্গোৎসবের সফলতা কামনা করি এবং জাতি-ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সকলকে জানাই শারদীয় শুভেচ্ছা৷

শোভন চৌধুরী বান্টি
ভি.পি .ওমর গণি এম.ই.এস বিশ্ববিদ্যালয় কলেজ বাণী অর্চনা পরিষদ৷
ছাত্রনেতা,ওমরগণি এম.ই.এস বিশ্ববিদ্যালয় কলেজ ছাত্রলীগ।

অবিচার ও অসুরশক্তি দমনের মাধ্যমে শান্তিপ্রতিষ্ঠায় শারদীয় দূর্গোৎসবঃ রাহুল দাশ

“শারদীয় দুর্গোৎসব উপলক্ষে আমি বাংলাদেশসহ বহির্বিশ্বের হিন্দু সম্প্রদায়ের সবাইকে আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানাই।

“বাঙালি হিন্দুদের প্রধান ধর্মীয় উৎসব দুর্গাপূজা। সমাজে অন্যায়, অবিচার, অশুভ ও অসুরশক্তি দমনের মাধ্যমে শান্তিপ্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে এ পূজা হয়ে থাকে। আবহমানকাল ধরে এ দেশের হিন্দু সম্প্রদায় বিপুল উৎসাহ-উদ্দীপনা ও উৎসবমুখর পরিবেশে নানা উপচার ও অনুষ্ঠানাদির মাধ্যমে দুর্গাপূজা পালন করে আসছে।

হাজার বছরের শ্রেষ্ঠ বাঙালি জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান অসাম্প্রদায়িক বাংলাদেশ গড়ার যে স্বপ্ন দেখেছিলেন যা বর্তমানে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর, বঙ্গবন্ধু কন্যা, দেশরত্ন শেখ হাসিনা অসাম্প্রদায়িক ডিজিটাল বাংলাদেশে রুপান্তর করেছেন৷ এই অসাম্প্রদায়িক বাংলাদেশে শারদীয় দুর্গোৎসব এখন সর্বজনীন।

এই উৎসব ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সবার মধ্যে সম্প্রীতি ও সৌহার্দ্যের বন্ধনকে আরও সুসংহত করুক-এ কামনা করি৷
মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে নকল ও প্রশ্ন ফাঁস মুক্ত পরিবেশে এবং শিক্ষার গুনগত মান রক্ষা করা, কর্মমুখী শিক্ষার প্রচলন বাড়ানো জন্য অবিরাম ছুটে চলা গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের মাননীয় শিক্ষা উপ-মন্ত্রী, বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক, চট্টগ্রাম-৯ সংসদীয় আসনের মাননীয় সাংসদ চট্টলরত্ন ব্যারিস্টার মহিবুল হাসান চৌধুরী নওফেল ভাইয়ের পক্ষ থেকে শারদীয় দুর্গোৎসবের সফলতা কামনা করি এবং জাতি-ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সকলকে জানাই শারদীয় শুভেচ্ছা৷

রাহুল দাশ
সহ-সম্পাদক, বাংলাদেশ ছাত্রলীগ, চট্টগ্রাম মহানগর৷
কার্যকরী সদস্য, চট্টগ্রাম মহানগর পূজা উদযাপন পরিষদ।
সাধারণ সম্পাদক, ৪২ নং নাসিরাবাদ(সাংগঠনিক ওয়ার্ড ছাত্রলীগ, চট্টগ্রাম মহানগর৷
সাবেক সাধারণ সম্পাদক, ওমর গণি এম.ই.এস বিশ্ববিদ্যালয় কলেজ বাণী অর্চনা পরিষদ৷

রাশিফল| ২৮ জুলাই

মেষ

ব্যবসার কাজে নতুন সিদ্ধান্ত নিতে হতে পারে।

বৃষ

পুরোনো শত্রুতা বিচলিত করে তুলতে পারে।

মিথুন

নিজের ভুলে নিজেই হতাশ হয়ে পড়তে পারেন।

কর্কট

আর্থিক সমস্যায় পড়লে তা কাটিয়ে উঠতে পারবেন।

সিংহ

ব্যাপারটা সহজভাবে নিন। তবেই সমাধান খুঁজে পাবেন।

কন্যা

আজ নতুন যোগাযোগের পথ খুলে যেতে পারে।

তুলা

মানসিক জোর আপনাকে আজ অনেক দূর নিয়ে যাবে।

বৃশ্চিক

অন্যের কথা প্রলুব্ধ হওয়ায় সুযোগ হাতছাড়া হতে পারে।

ধনু

আজ আপনার অপছন্দের পরিবেশ এড়িয়ে চলুন।

মকর

সামলাতে হবে আজ এমন কিছু, যার মুখোমুখি আগে হননি।

কুম্ভ

তৃতীয় কারো উসকানিতে পারিবারিক সুস্থিতি ব্যাহত হতে পারে।

মীন

যেকোনো পরিস্থিতিতে বিচলিত হওয়া যাবে না।

সর্বশেষ সংবাদ

সাক্ষাৎকার পাতার আরো খবর