সোমবার, ৮ মার্চ, ২০২১
দক্ষিণাঞ্চলেও পরমাণু বিদ্যুৎ কেন্দ্র হবে: প্রধানমন্ত্রী

পাবনার রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রের পাশাপাশি দেশের দক্ষিণাঞ্চলে আরো একটি পরমাণু বিদ্যুৎ কেন্দ্র নির্মাণ করা হবে জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, বিজ্ঞান ও গবেষণায় মানুষের কল্যাণ নিশ্চিত করতে হবে।

বৃহস্পতিবার (০৪ মার্চ) সকালে গণভবন থেকে ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে 'বঙ্গবন্ধু বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি ফেলোশিপসহ অনুদানের চেক হস্তান্তর অনুষ্ঠানে এ কথা বলেন তিনি। এ সময়, দেশের অগ্রযাত্রা কেউ ব্যাহত করতে পারবে না বলেও দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করেন প্রধানমন্ত্রী।

বিজ্ঞানমনস্ক জাতি হিসেবে এগিয়ে যাওয়ার পাশাপাশি মানুষের কল্যাণ নিশ্চিতে কাজ করে যাচ্ছেন দেশের গবেষকরা। পরমাণু প্রযুক্তির মাধ্যমে চিকিৎসাসহ কৃষি ও সামাজিক বাস্তবতার অনেক কিছুই বদলে যাচ্ছে গত কয়েক বছর ধরে। বিজ্ঞানীদের সফলতায় দেশেই এখন মিলছে দুরারোগ্য অনেক রোগের প্রতিকার।

বিজ্ঞান শিক্ষায় শিক্ষার্থীদের আরো আগ্রহী করতে প্রণোদনা হিসেবে সরকার প্রতিবছরের মতো গবেষণার চেক হস্তান্তরের আয়োজন করে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, বহুমুখী শিক্ষা, বিজ্ঞান ও গবেষণার মাধ্যমে দক্ষ মানব সম্পদ গড়ে দেশকে এগিয়ে নিতে হবে। বলেন, গবেষণা ছাড়া বা বিজ্ঞান গবেষণা ছাড়া কিভাবে একটা জাতি সামনে দিকে এগিয়ে যেতে পারে, তাই শিক্ষাকে আমরা বহুমুখী করা দেওয়া হচ্ছে। যার যেখানে দক্ষতা থাকবে সে সেখানে পড়াশোনা করবে।     

গবেষণা ছাড়া উন্নয়ন সম্ভব নয় জানিয়ে শেখ হাসিনা ঘোষণা দেন দেশের দক্ষিণাঞ্চলে আরো একটি নিউক্লিয়ার পাওয়ার প্ল্যান্ট গড়ে তোলা হবে।

সুনির্দিষ্ট লক্ষ্যমাত্রা নিয়ে দেশ পরিচালিত হচ্ছে বলেই উন্নয়নশীল কাতারে উত্তরণ সম্ভব হয়েছে বলেও উল্লেখ করেন প্রধানমন্ত্রী।

বাংলাদেশ যে এগিয়ে যাচ্ছে, এ অগ্রযাত্রা কেউ থামাতে পারবে না। আর করোনা ভাইরাস যখন পারেনি তখন আর কেউ পারবে না বলেও জানান তিনি।

২০২০-২১ অর্থবছরে বঙ্গবন্ধু ফেলোশিপ পেয়েছেন ৭৭ জন, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি ফেলোশিপে ৩ হাজার ৩০৫ জন এবং বিশেষ গবেষণা অনুদান পেয়েছেন ৮'শ জন বিজ্ঞানী-গবেষক। প্রধানমন্ত্রীর পক্ষে চেক হস্তান্তর করেন বিজ্ঞানমন্ত্রী স্থপতি ইয়াফেস ওসমান।
 

যেকোনো পরিস্থিতিতে বাংলাদেশের পাশে থাকবে ভারত: জয়শঙ্কর

বাংলাদেশে সফররত ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর বলেছেন, এ দেশের স্বাধীনতার সুবর্ণ জয়ন্তী এবং মুজিববর্ষ আমাদের দেশের জন্যও অত্যধিক গুরুত্বপূর্ণ। আমাদের দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কে অনেক অগ্রগতি হয়েছে। বাংলাদেশ আমাদের কাছে শুধু একজন প্রতিনিধি না বরং সারাবিশ্বের মধ্যে অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ অর্থনৈতিক অংশীদার। আমাদের সম্পর্ক এমন পর্যায়ে পৌঁছেছে যে আমরা শুধু আলোচনার মাধ্যমেই যেকোনো সংকটের সমাধান করতে পারি।

বৃহস্পতিবার (০৪ মার্চ) বেলা সাড়ে ১১টার দিকে রাজধানীর রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন পদ্মায় দুই দেশের দ্বিপক্ষীয় বৈঠকে শেষে সাংবাদিকদের এ কথা জানান বাংলাদেশে  সফররত ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর।

এ সময় বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ কে আব্দুল মোমেন বলেন, ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী এস জয়শঙ্করের সঙ্গে নিরাপত্তা, অভিন্ন নদীর পানি বণ্টন, বাণিজ্য, পারস্পরিক সম্পর্কোন্নয়নসহ দ্বিপাক্ষিক বিভিন্ন বিষয়ে আলোচনা হয়েছে।

এস জয়শঙ্কর উন্নয়নশীল দেশের স্ট্যাটাস পাওয়ায় বাংলাদেশকে অভিনন্দন জানান। বলেন, বাংলাদেশ সম্পূর্ণ নিজের কাজ ও যোগ্যতায় এটি অর্জন করেছে।

এ সময় তিনি আরো বলেন, বাংলাদেশকে নিশ্চয়তা দিতে চাই যেকোনো পরিস্থিতিতে ভারত বাংলাদেশের পাশে থাকবে। আর এ দুদেশের মধ্যে উন্নয়নকে কেন্দ্র করে অনেক সম্ভাবনা আছে। সেটা খুঁজে বের করতেই এ সফরে আসা।

তিনি আরো বলেন, আমরা একসঙ্গে সীমান্ত হত্যা বন্ধে সফল হবো- এ বিষয়ে আমাদের আলোচনা চলছে।

তিস্তার পানিবণ্টন চুক্তি নিয়ে ভারত সরকার যে আশ্বাস দিয়েছিল সেই অবস্থানের পরিবর্তন হবে না বলেও জানান তিনি।

এর আগে সকাল ১০টার দিকে ভারতীয় বিমানবাহিনীর একটি বিশেষ ফ্লাইটে দিল্লি থেকে ঢাকায় পৌঁছান ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর। বিএএফ বাশার ঘাঁটিতে তাকে স্বাগত জানান বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আব্দুল মোমেন।

গত বছরের ১৭ ডিসেম্বর দু'দেশের প্রধানমন্ত্রীর মধ্যে অনুষ্ঠিত ভার্চুয়াল বৈঠকের সিদ্ধান্তগুলোর বাস্তবায়নের অগ্রগতি পর্যালোচনা এবং দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক আরও এগিয়ে নেওয়ার বিষয়ে আলোচনা করতে এস জয়শঙ্করের এ সফর।

বিকেলে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করবেন এস জয়শঙ্কর। রাতেই দিল্লির উদ্দেশে ঢাকা ছাড়বেন তিনি।

বাংলাদেশের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সূত্র জানায়, ২৫ অথবা ২৬ মার্চ ভারতের প্রধানমন্ত্রী বাংলাদেশের স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তীর অনুষ্ঠানে যোগ দিতে ঢাকা আসছেন। ২৭ মার্চ তার প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে বৈঠকের কথা রয়েছে।

সব রিপোর্টেই মুশতাকের স্বাভাবিক মৃত্যুর তথ্য মিলেছে

লেখক মুশতাকের মৃত্যুর ঘটনায় গঠিত সব তদন্ত কমিটির রিপোর্টেই স্বাভাবিক মৃত্যুর তথ্য পাওয়া গেছে বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খাঁন কামাল। 

বৃহস্পতিবার (০৪ মার্চ) দুপুরে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এ কথা জানান তিনি। 

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, তবে এখনও ময়নাতদন্ত রিপোর্ট পাওয়া যায়নি, সেটি পাওয়া গেলে চূড়ান্ত তথ্য পাওয়া যাবে। 

গত বছরের মে মাসে লেখক মুশতাক আহমেদ, কার্টুনিস্ট আহমেদ কবির কিশোর, রাষ্ট্রচিন্তার সদস্য দিদারুল ইসলাম ও ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের পরিচালক মিনহাজ মান্নানকে গ্রেফতার করে র‌্যাব।

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ব্যবহার করে রাষ্ট্রের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রমূলক কথাবার্তা ও গুজব ছড়ানোর অভিযোগে এ সময় মোট ১১ জনের বিরুদ্ধে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে মামলা করে র‌্যাব। সেই মামলায় দুজন জামিনে মুক্তি পেলেও মুশতাক ও কিশোরের জামিন আবেদন ছয় বার নাকচ হয়।

গত ২৫ ফেব্রুয়ারি সন্ধ্যায় কাশিমপুর কারাগারের ভেতরে অসুস্থ হয়ে পড়েন লেখক মুশতাক আহমেদ। প্রথমে কারা হাসপাতাল ও পরে শহীদ তাজউদ্দীন আহমদ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। ২০২০ সালের আগস্ট মাস থেকে কারাবন্দি ছিলেন লেখক মুশতাক আহমেদ।
 

আজ বিশ্ব ভালোবাসা দিবস

আজ ১৪ ফেব্রুয়ারি, ভ্যালেন্টাইনস ডে বা ভালোবাসা দিবস। আজ আবার পহেলা ফাল্গুনও। ঋতুরাজ বসন্তের প্রথম দিনটির সঙ্গে ভালোবাসা মিলেমিশে একাকার।

ফুলে রাঙা বাসন্তী মোহ আজ যুগলদের মনের উচ্ছ্বাসকে বাড়িয়ে দেবে কয়েকগুণ। শুধু তরুণ-তরুণী নয়, নানা বয়সের মানুষই ভালোবাসার এই দিনে একসঙ্গে সময় কাটাবেন। দিনটি পশ্চিমা সংস্কৃতির অনুষঙ্গ হলেও ভ্যালেন্টাইনস ডে বা ভালোবাসা দিবসে এখন বাঙালি জীবনের সঙ্গেও মিশে গেছে।

অনেকেই বলে থাকেন, ফেব্রুয়ারির এ সময়ে পাখিরা তাদের জুটি খুঁজে বাসা বাঁধে। নিরাভরণ বৃক্ষে কচি কিশলয় জেগে ওঠে। তীব্র সৌরভ ছড়িয়ে ফুল সৌন্দর্যবিভায়। পরিপূর্ণভাবে বিকশিত হয়। এ দিনে চকোলেট, পারফিউম, গ্রিটিংস কার্ড, ই-মেইল, মুঠোফোনের এসএমএস-এমএমএসে প্রেমবার্তা, হীরার আংটি, প্রিয় পোশাক, জড়াজড়ি করা খেলনা মার্জার অথবা বই ইত্যাদি শৌখিন উপঢৌকন প্রিয়জনকে উপহার দেয়া হয়।

নীল খামে হালকা লিপস্টিকের দাগ, একটা গোলাপ ফুল, চকোলেট, ক্যান্ডি, ছোট্ট চিরকুট আর তাতে দু`ছত্র গদ্য অথবা পদ্য হয়ে উঠতে পারে উপহারের অনুষঙ্গ।

ইতিহাসবিদদের মতে, দুটি প্রাচীন রোমান প্রথা থেকে এ উৎসবের সূত্রপাত। এক খ্রিস্টান পাদ্রী ও চিকিৎসক ফাদার সেন্ট ভ্যালেনটাইনের নামানুসারে দিনটির নাম ‘ভ্যালেনটাইনস ডে’ করা হয়। ২৭০ খ্রিস্টাব্দের ১৪ ফেব্রুয়ারি খ্রিস্টানবিরোধী রোমান সম্রাট গথিকাস আহত সেনাদের চিকিৎসার অপরাধে সেন্ট ভ্যালেনটাইনকে মৃত্যুদণ্ড দেন। মৃত্যুর আগে ফাদার ভ্যালেনটাইন তার আদরের একমাত্র মেয়েকে একটি ছোট্ট চিঠি লেখেন, যেখানে তিনি নাম সই করেছিলেন ‘ফ্রম ইওর ভ্যালেনটাইন’। সেন্ট ভ্যালেনটাইনের মেয়ে এবং তার প্রেমিক মিলে পরের বছর থেকে বাবার মৃত্যুর দিনটিকে ভ্যালেনটাইনস ডে হিসেবে পালন করা শুরু করেন। যুদ্ধে আহত মানুষকে সেবার অপরাধে মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডিত সেন্ট ভ্যালেনটাইনকে ভালোবেসে দিনটি বিশেষভাবে পালন করার রীতি ক্রমে সারা বিশ্বে ছড়িয়ে পড়ে।

ভ্যালেনটাইনস ডে সার্বজনীন হয়ে ওঠে আরও পরে প্রায় ৪০০ খ্রিস্টাব্দের দিকে। দিনটি বিশেষভাবে গুরুত্ব পাওয়ার পেছনে রয়েছে আরও একটি কারণ। সেন্ট ভ্যালেনটাইনের মৃত্যুর আগে প্রতি বছর রোমানরা ১৪ ফেব্রুয়ারি পালন করত ‘জুনো’ উৎসব। রোমান পুরানের বিয়ে ও সন্তানের দেবী জুনোর নামানুসারে এর নামকরণ। এ দিন অবিবাহিত তরুণরা কাগজে নাম লিখে লটারির মাধ্যমে তার নাচের সঙ্গীকে বেছে নিত। ৪০০ খ্রিস্টাব্দের দিকে রোমানরা যখন খ্রিস্টান ধর্মাবলম্বীতে পরিণত হয় তখন ‘জুনো’ উৎসব আর সেন্ট ভ্যালেনটাইনের আত্মত্যাগের দিনটিকে একই সূত্রে গেঁথে ১৪ ফেব্রুয়ারি ‘ভ্যালেনটাইনস ডে’ হিসেবে উদযাপন শুরু হয়। কালক্রমে এটি সমগ্র ইউরোপ এবং ইউরোপ থেকে সারাবিশ্বে ছড়িয়ে পড়ে।

বাংলাদেশে ‘ভালোবাসা দিবস’ উদযাপন যিনি চালু করেন তিনি হচ্ছেন সাংবাদিক শফিক রেহমান। ১৯৯৩ সালে তার সম্পাদিত যায়যায়দিন পত্রিকায় প্রথম এই দিনটিকে উপলক্ষ করে বিশেষ ‘ভালোবাসা সংখ্যা’ বের করেছিলেন তিনি। দিনে দিনে সে ভালোবাসা দিবস বাংলাদেশে রূপ নিয়েছে রীতিমত উৎসবে।

এ প্রসঙ্গে ২০২০ সালে বিবিসি বাংলাকে সাংবাদিক শফিক রেহমান বলেন, ১৯৯৩ সালে আমি ঢাকায় যায়যায় দিন পত্রিকাটি প্রকাশ করি। সে বছরের ১৪ ফেব্রুয়ারি ভ্যালেন্টাইন্স ডে সামনে রেখে আমরা একটি বিশেষ সংখ্যা বের করার পরিকল্পনা করি এবং পাঠকদের কাছে লেখা আহ্বান করি। আমি তখন বলেছিলাম, একটি দিনে প্রতিটি মানুষের অন্তত সবার কাছে ভালোবাসাটা প্রকাশ করা উচিত। ভালোবাসা দিবস শুধু স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে নয়, সবার মধ্যে ছড়িয়ে দেয়া উচিত। অর্থাৎ বাবা-মার সঙ্গে ছেলে মেয়ের, দাদা-দাদির সঙ্গে নাতি-নাতনির, এমনকি বাড়িওয়ালার সঙ্গে ভাড়াটিয়ার। পুলিশের সঙ্গে পাবলিকের, যদি সম্ভব হয়। আমি মনে করেছি এতে দেশে সহিংসতা কমে আসবে।

তিনি আরো বলেন, আমি তখন পাঠকদের কাছে তাদের অভিজ্ঞতা চেয়ে পাঠালাম এবং আমি বিপুল সাড়া পাই। বলতেই হবে, বাঙালি আসলেই প্রেমিক। নইলে এত লেখা আমরা কেমন করে পেতাম।

ভ্যালেন্টাইন্স ডে কেন বাংলাদেশে ভালোবাসা দিবস নামে চালু করলেন সে প্রশ্নের উত্তরও দেন শফিক রেহমান। তিনি বলেন, আমি বহুবছর লন্ডনে থাকার সুবাদে জানতাম, সেখানে কীভাবে ভ্যালেন্টাইন্স ডে উদযাপিত হয়। কিন্তু বাংলাদেশে এ নামের পরিবর্তে ভালোবাসা দিবস দিয়েছিলাম ইচ্ছে করে। ভ্যালেন্টাইন্স ডে বললে অনেকে বলবে এটা খ্রিস্টানদের ব্যাপার। ধর্মকে জড়িয়ে বিতর্কিত করার চেষ্টা করা হতো তাহলে। যে সপ্তাহে আমাদের ভালোবাসা সংখ্যা বের হয়, ওই একই সপ্তাহে বিখ্যাত টাইম ম্যাগাজিন তাদের প্রথম ভালোবাসা সংখ্যা প্রকাশ করে। সেজন্য অনেকে বলেন, আমি টাইম ম্যাগাজিনের চেয়ে একটু এগিয়ে ছিলাম। আমি কিন্তু কখনই ভাবিনি এ ভালোবাসা দিবস এত বড় রূপ নেবে।

তিনি আরো বলেন, বাংলাদেশে অন্য যেসব উৎসব হয়, সেগুলো হয় ধর্মীয় নয়তো রাজনৈতিক। অথবা নববর্ষের সঙ্গে জড়িত। কিন্তু ভালোবাসা দিবস ছিল সেদিক থেকে আলাদা। এখন অনেকেই ১৪ ফেব্রুয়ারিতে বিয়েও করছে। এই দিনটি বাংলাদেশে অনেক পরিবর্তন নিয়ে এসেছে। যশোরে এক দিনেই বিক্রি হয় ১২ কোটি টাকার ফুল। আমার ধারণা এটি আরও বড় হবে। এটাকে আমি পারিবারিক রূপ দেবার চেষ্টা করেছি।

অল্পের জন্য রক্ষা পেলেন রিজভী

বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী সড়ক দুর্ঘটনা থেকে প্রাণে বেঁচেছেন। সাতক্ষীরা থেকে ঢাকার উদ্দেশে আসার সময় দুর্ঘটনার কবলে পড়েন তিনি।

বৃহস্পতিবার (৩১ ডিসেম্বর) বিকেল পৌনে ৩টার দিকে কলারোয়া–যশোর মহাসড়কের কলারোয়া বাজারে এ দুর্ঘটনা ঘটে। 

জানা যায়, ঢাকার উদ্দেশে সাতক্ষীরা থেকে যশোর বিমানবন্দরে যাওয়ার পথে কলারোয়া বাজারে সড়ক দুর্ঘটনার কবলে পড়ে তাকে বহনকারী প্রাইভেটকারটি। এ সময় তার সঙ্গে গাড়িতে ছিলেন বিএনপির কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির প্রকাশনাবিষয়ক সম্পাদক হাবিবুল ইসলাম হাবিব।

ঘটনাস্থল থেকে মোবাইল ফোনে রিজভী জানান, তাকে বহনকারী প্রাইভেটকারটি দুর্ঘটনার কবলে পড়েছে। সাতক্ষীরার কলারোয়া উপজেলা থেকে যশোর বিমানবন্দরে যাচ্ছিলেন তিনি। পথিমধ্যে একটি ভ্যান প্রাইভেটকারের সামনে পড়ে। এ সময় গাড়িটি ক্ষতিগ্রস্ত হলেও তিনি ও হাবিব উভয়েই ঠিক আছেন। আঘাত পেলেও তেমন গুরুতর নন।

মুজিববর্ষে কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের সহ সভাপতি তৌহিদুল ইসলাম জহিরের ব্যতিক্রমী উদ্যোগ

মুজিব বর্ষ উপলক্ষে পটিয়ার ১৬টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে বঙ্গবন্ধুর ম্যুরাল স্থাপন করছেন কেন্দ্রিয় ছাত্রলীগের সহ-সভাপতি তৌহিদুল ইসলাম চৌধুরী  জহির ও তার বড় ভাই কবির।

মুজিব শতবর্ষ উপলক্ষে পটিয়ার ১৬ টি শিক্ষা প্রতিষ্টানে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ম্যুরাল স্থাপনের ব্যতিক্রমী এ উদ্যোগ নিয়েছেন সমাজসেবক ও পটিয়া উপজেলা আওয়ামী লীগ নেতা আহমেদ কবির চৌধুরী ও তার ছোট ভাই কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের সহ-সভাপতি মো: তৌহিদুল ইসলাম চৌধুরী জহির।

উপজেলার হুলাইন সালেহ নূর ডিগ্রী কলেজ, ধলঘাট স্কুল এন্ড কলেজ, মোজাফরাবাদ কলেজ, খলিল মীর ডিগ্রী কলেজ, শোভনদন্ডী ডিগ্রী কলেজ, লাখেরা উচ্চ বিদ্যালয়, আবদুস সোবহান রাহাত আলী উচ্চ বিদ্যালয়, চরকানাই উচ্চ বিদ্যালয়, আরফা করিম উচ্চ বিদ্যালয়, হাবিলাসদ্বীপ উচ্চ বিদ্যালয়, কেলিশহর উচ্চ বিদ্যালয়, রতনপুর উচ্চ বিদ্যালয়, কুসুমপুরা উচ্চ বিদ্যালয়, বাডৈইকারা উচ্চ বিদ্যালয়, হাইদগাঁও উচ্চ বিদ্যালয় ও করল বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়। এই ১৬ টি প্রতিষ্টানে বঙ্গবন্ধুর ম্যুরাল স্থাপনের কাজ প্রায় শেষের দিকে।

বঙ্গবন্ধুর ম্যুরাল স্থাপন প্রসঙ্গে আহম্মদ কবির চৌধুরীর সাথে কথা বললে তিনি জানান, মুজিব বর্ষ উপলক্ষে আমাদের থেকে পটিয়ার জন্য কিছু একটা করতে চাচ্ছিলাম। এই জন্য মাননীয় হুইপ মহোদয়ের পরামর্শ চাইলে তিনি আমাকে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে বঙ্গবন্ধুর ম্যুরাল স্থাপনের পরামর্শ দেন। উনার পরামর্শ মোতাবেক আমি ম্যুরাল স্থাপনের সিদ্ধান্ত গ্রহণ করি।

তার ছোট ভাই কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের সহ-সভাপতি জহির বলেন, বর্তমানে আওয়ামীলীগ সরকার ক্ষমতায় থাকলেও উগ্র মৌলবাদী গোষ্টি ধর্মের নামে বঙ্গবন্ধুর ভাস্কর্য/ প্রতিকৃতির বিরোধীতা শুরু করেছে। তাদের এই অপচেষ্টার বিরুদ্ধে আমাদের পরিবারের এটি ক্ষুদ্র প্রয়াস মাত্র। নতুন প্রজন্ম বঙ্গবন্ধুকে জানুক, বঙ্গবন্ধুকে ভালোবাসুক সেই উদ্দেশ্যেই আমরা বঙ্গবন্ধুর ম্যুরাল স্থাপনের সিদ্ধান্ত নিয়েছি। ইতিমধ্যে আমরা হুইপ মহোদয়ের পরামর্শ মোতাবেক শিক্ষাপ্রতিষ্টান প্রধান ও পরিচালনা পর্ষদের সাথে কথা বলে ম্যুরাল স্থাপনের কাজ প্রায় শেষ পর্যায়ে নিয়ে এসেছি। এ কাজটি করতে পেরে আমরা সবার প্রতি কৃতজ্ঞতা জানাচ্ছি।

বাংলাদেশে প্রতি কি.মি. রাস্তা নির্মাণ খরচ পৃথিবীতে সর্বোচ্চ

চট্টগ্রামের পতেঙ্গা থেকে সাগরিকা পর্যন্ত শহর রক্ষা বাঁধের উপর ১৫ দশমিক দুই কিলোমিটার দীর্ঘ আউটার রিং রোড নির্মাণ প্রকল্পটি ২০১৩ সালে একনেকে অনুমোদনের পর ২০১৬ সালে কাজ শুরু হয়। ২০১১ সালে সিডিএ'র হাতে নেয়া ৮৫৬ কোটির প্রকল্প তখনই একদফা সংশোধিত হয়ে দাড়ায় ১ হাজার ৪৯৬ কোটি টাকা। ২০১৬ সালে কাজ শুরুর পর ২০১৮ সালে ব্যয় বাড়িয়ে করা হয় ২ হাজার ৪২৬ কোটি টাকা। মেয়াদ বাড়ে ২০১৯ এর জুন পর্যন্ত। কিন্তু চলতি বছরও কাজ শেষ না হওয়ায় মেয়াদ বাড়ছে আরও একদফা।

একইরকম অবস্থা কক্সবাজার বিমানবন্দরের ২০০৯ সালে হাতে নেয়া প্রকল্প এখনো শেষ হয়নি, কিন্তু ব্যয় ৩০২ কোটি থেকে ৬ দফায় বেড়ে হয়েছে ২ হাজার ১৫ কোটিতে। এগুলো দেশের উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়নের গতি আর দক্ষতার উদাহরণ মাত্র। চলতি অর্থবছরের শেষ ছয় একনেক সভা পর্যালোচনায় দেখা যায়, অনুমোদিত ২৭ প্রকল্পের ১২ টি সংশোধিত। পর্যবেক্ষকরা বলছেন উন্নয়ন প্রকল্পের ব্যয় বাড়ছে লাগামহীন।

টিআইবি নির্বাহী পরিচালক ইফতেখারুজ্জামান বলেন, বাংলাদেশে পার কিলোমিটার রোড কনস্ট্রাকশন ব্যয় এই মুহূর্তে পৃথিবীতে সর্বোচ্চ। এই ব্যয় প্রায় ৬০ কোটি টাকার কাছাকাছি। যা ভারতে প্রায় ১২ বা ১৩ কোটি। এশিয়া এবং ওয়ার্ল্ড এভারেজ তার চেয়ে কম।

অর্থনীতিবিদ মাসরুর রিয়াজ বলেন, 'এই ধরনের উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়নে বিভিন্ন পর্যায়ে সাড়ে ৮ থেকে শুরু করে প্রায় ২৭ শতাংশ পর্যন্ত মোট বাজেটের অর্থ অপচয় হয় দুর্নীতির মাধ্যমে।'

২০০৯ থেকে ২০১৯ পর্যন্ত দশ বছরে একেক বৈঠকে প্রধানমন্ত্রীর দেয়া অনুশাসন পর্যালোচনায় দেখা যায়, প্রকল্প বাস্তবায়নের ব্যয় ও মেয়াদ যৌক্তিক করতে তিনি বারবার তাগিদ দিয়েছেন। কিন্তু দলীয় প্রভাবশালীদের দৌরাত্ম আর বাস্তবায়ন অদক্ষতায় অবস্থার উন্নতি হচ্ছে না বলে মনে করেন পর্যবেক্ষকরা।

অর্থনীতিবিদ মাসরুর রিয়াজ বলেন, 'আমাদের সম্প্রতি গবেষণায় দেখা গেছে এর অন্যতম কারণ হচ্ছে যে, রাজনৈতিকভাবে প্রভাবশালী মহলের অনিয়মের মাধ্যমে কার্যাদেশ বিক্রয় করা।'

টিআইবি নির্বাহী পরিচালক ইফতেখারুজ্জামান বলেন, যখন প্রজেক্ট ডেভেলপমেন্ট করা হয় তখন 'প্রজেক্ট ফিজিবিলিটি' বা 'প্রজেক্ট প্ল্যান' এখানে ঘাটতি থেকে যাচ্ছে। প্রজেক্টের মনিটরিংয়ে ঘাটতি রয়েছে।'

অক্টোবর পর্যন্ত অর্থবছরের প্রথম চার মাসে বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচি বাস্তবায়ন হয়েছে প্রায় ১৩ শতাংশ, যে গতি গেলো চারবছরের মধ্যে সর্বনিম্ন। এর আগে ২০১৫-১৬ অর্থবছরের প্রথম চারমাসে এডিপি বাস্তবায়ন হয়েছিলো ১১ শতাংশ।

ভাসানচরের পথে রোহিঙ্গাদের বিশাল বহর

কক্সবাজারের উখিয়ার কুতুপালং ক্যাম্প থেকে বিশাল বহর নিয়ে ভাসানচরের দিকে রওনা হয়েছে মিয়ানমারের বাস্তুচ্যুত রোহিঙ্গারা। 

বৃহস্পতিবার (৩ ডিসেম্বর) সকালে নেয়াখালীর ভাষানচরের দিকে রওনা হন তারা।

জানা যায়, কক্সবাজার থেকে ভাসানচরে স্থানান্তরের নিরাপত্তার দায়িত্ব পালন করছে র‍্যাব-৭ ও র‍্যাব-১৫।

এর আগে পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ কে আব্দুল মোমেন বলেছিলেন, ডিসেম্বর মাসেই আগ্রহী রোহিঙ্গাদের ভাসানচরে স্থানান্তর করার পরিকল্পনা রয়েছে সরকারের।

এদিকে গত বুধবার (২ ডিসেম্বর) জাতিসংঘ আবাসিক সমন্বয়কারীর কার্যালয় থেকে পাঠানো এক বিবৃতিতে বলা হয়, আগামী দিনে কক্সবাজার থেকে রোহিঙ্গা শরণার্থীদের ভাসানচরে সরিয়ে নেয়ার পরিকল্পনা সম্পর্কে জাতিসংঘ অবগত আছে। কিন্তু শরণার্থীদের স্থানান্তর প্রস্তুতি কিংবা রোহিঙ্গাদের শনাক্তকরণ প্রক্রিয়ার সঙ্গে সংস্থাটিকে যুক্ত করা হয়নি।

এই স্থানান্তর প্রক্রিয়া সম্পর্কে জাতিসংঘের কাছে তথ্যও খুবই কম আছে বলে বলা হয়েছে ওই বিবৃতিতে।

বিবৃতিতে বলা হয়, ভাসানচরে রোহিঙ্গাদের স্থানান্তরের ব্যাপারে জাতিসংঘ তার আগেকার অবস্থানেই রয়েছে, অর্থাৎ ভাসানচরে যাবার ব্যাপরে, রোহিঙ্গা শরণার্থীরা যেন জেনে-বুঝে এবং মুক্তভাবে সিদ্ধান্ত নিতে পারে তা নিশ্চিত করতে হবে। সেজন্য জায়গাটি সম্পর্কে প্রাসঙ্গিক, সুনির্দিষ্ট ও হালনাগাদ তথ্যের ওপর ভিত্তি করে যেন তারা সিদ্ধান্ত নিতে পারে।

উল্লেখ্য, ২০১৭ সালের অগাস্টে মিয়ানমার সেনাবাহিনীর গণহত্যা ও নিপীড়নের মুখে দেশটি থেকে কয়েক লক্ষ রোহিঙ্গা বাংলাদেশে পালিয়ে আসে।

ওই বছরের নভেম্বর মাসে কক্সবাজার থেকে এক লক্ষ রোহিঙ্গাকে ভাসানচরে সরিয়ে নেয়ার লক্ষ্যে একটি প্রকল্প নেয় সরকার। আশ্রয়ণ-৩ নামে প্রকল্পটি বাস্তবায়নের দায়িত্ব দেয়া হয় বাংলাদেশ নৌবাহিনীকে।

কিন্তু ২০১৮ সালে যখন প্রথম তাদের স্থানান্তরের পরিকল্পনা করা হয়, তখন থেকেই রোহিঙ্গারা সেখানে যাবার ব্যাপারে আপত্তি জানিয়ে আসছিল। তারই ধারাবাহিকতায় গত নভেম্বরে রোহিঙ্গা প্রতিনিধিদের একটি দলকে ভাসানচর পরিদর্শনে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল। তখন দলটি ভাসানচরে যেতে সম্মতি জানালেও কক্সবাজারে ফিরে আবার টালবাহানা শুরু করে।

যেভাবে ৫ মিনিটেই অনলাইনে পাবেন জমির আরএস খতিয়ান

জমির আরএস খতিয়ান। যাদের জমি আছে তাদের জন্য এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ দলিল, যা দ্বারা জমি পরিমাপ বা চিহিৃত করা হয়। আমরা অনেক সময় এই গুরুত্বপূর্ণ দলিলের সমস্যায় পড়ি। অনেকে জমির এই আরএস খতিয়ান হারিয়ে ফেলি আবার অনেকের জমির আরএস খতিয়ান থাকে না, যা পরবর্তীতে কোর্টের মাধ্যমে উঠানো লাগে। সবমিলিয়ে অনেকেই এই ঝামেলায় পড়ে যান। 

যারা জমির এই আরএস খতিয়ান হারিয়ে ফেলেছেন অথবা যাদের জমির আরএস খতিয়ান নেই তাদের জন্য সুখবর। মাত্র দুই থেকে পাঁচ মিনিটের মধ্যেই অনলাইনে পাওয়া যাবে জমির এই গুরুত্বপূর্ণ দলিল। আসুন জেনে নেই মাত্র পাঁচ মিনিটেই যেভাবে অনলাইনে পাবেন জমির আরএস খতিয়ান।

ভূমির পরিমাপ পদ্ধতি সঠিক এবং সহজ করার জন্য ফরাসি বিজ্ঞানী এডমন্ড গান্টা ইস্পাত দ্বারা এক ধরনের শিকল আবিষ্কার করেন। পরবর্তীতে তার নাম অনুসারেই এই শিকলের নামকরণ করা হয় গান্টার শিকল। আমাদের দেশে গান্টার শিকল দ্বারা জমি জরিপ অত্যন্ত জনপ্রিয়।

‘আরএস খতিয়ান’ অ্যাপ্লিকেশনটি মূলত ‘জমি’ নামক জাতীয় ভূমি-তথ্য ও সেবা অনলাইন প্ল্যাটফর্মের (www.land.gov.bd) একটি অংশ।

এ ছাড়া মোবাইল অ্যাপ, ‘rsk.land.gov.bd’ এবং ‘drroffice.land.gov.bd’ ওয়েবসাইটের মাধ্যমেও বাংলাদেশের যে কোনো নাগরিক ঘরে বসে অথবা নিকটস্থ যে কোনো ডিজিটাল সেন্টারে অথবা পৃথিবীর যে কোনো প্রান্ত থেকে নিজের জমিসংক্রান্ত তথ্য দেখার সুযোগ পাবেন।

অনলাইনে খতিয়ান সংগ্রহের জন্য নির্ধারিত বিভাগ, জেলা, উপজেলা ও মৌজা বাছাই করতে হবে। খতিয়ান নম্বর বা দাগ নম্বর বা মালিকানা নাম বা পিতা বা স্বামীর নাম দিয়ে খতিয়ান খোঁজা যাবে।

এ ছাড়া খতিয়ানের সার্টিফায়েড কপির জন্য অনলাইনে আবেদন, আবেদন নিষ্পত্তি বিষয়ে ট্র্যাকিং ও কর্তৃপক্ষ কর্তৃক মনিটরিং করার সুবিধা রয়েছে এই অনলাইন ব্যবস্থায়।

অনলাইনে খতিয়ানের কপি পেতে অনলাইনে আবেদনের সময় নাগরিকের নাম, পরিচয়পত্র নম্বর (প্রযোজ্য ক্ষেত্রে) ও ফোন নম্বর ইত্যাদি তথ্য দিতে হবে। নির্ধারিত তথ্য দেওয়ার পর মোবাইল ব্যাংকিং বা অনলাইন ব্যাংকিংয়ের মাধ্যমে খতিয়ানের জন্য নির্ধারিত ফি দিতে হবে। ফি পরিশোধের পর অনলাইন কপি সংগ্রহ করতে চাইলে সরাসরি অনলাইন কপি প্রিন্ট করে নেওয়া যাবে।

সার্টিফায়েড কপি পাওয়ার ক্ষেত্রে আবেদনের সময় নাগরিকের নাম, পরিচয়পত্র নম্বর, ফোন নম্বর দিতে হবে। তথ্য প্রদানের পর মোবাইল ব্যাংকিং বা অনলাইন ব্যাংকিংয়ের মাধ্যমে খতিয়ানের জন্য ফি দিতে হবে। ফি দেওয়ার পর সার্টিফাইড কপির জন্য নাম, জাতীয় পরিচয়পত্র, ইমেইল, মোবাইল নম্বর, ট্রানজেকশন আইডি ও ডাকযোগে যোগাযোগের ঠিকানা দিয়ে অনলাইনে আবেদন করতে হবে। এরপর সংশ্লিষ্ট জেলা অফিস থেকে বা আবেদনকারীর প্রত্যাশিত ঠিকানায় ডাকযোগে নির্দিষ্ট দিনের মধ্যে আরএস খতিয়ানের সার্টিফায়েড কপি সরবরাহ করা হবে।

সমগ্র বাংলা পাতার আরো খবর